কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৯ এ ০১:৪১ PM
কন্টেন্ট: পর্যটন স্পট
বাংলা সাহিত্যের অসামান্য প্রতিভার অধিকারী মহান কবি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কৈশোর কালের নিছু সময় কেটেছে ekhane. ১৯১৪ সালের প্রথম দিকে বর্ধমানের আসানসোলের রুটির দোকানে কাজ করার সময় আমাদের প্রিয় কবিকে ত্রিশালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে আবস্থিত স্মৃতিকেন্দ্রে বিচুতিয়া ব্যাপারী-র বাড়ীতে-ই কবি জায়গীর থাকতেন। এখান থেকেই কবি দরিরামপুর হাই স্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে ভর্তি হন এবন প্রথম স্থান অধিকার করেন। কবি যে ঘরটিতে থাকতেন সেই কুঁড়ে ঘরটি আজ আর নেই। পরবর্তীতে সংস্কৃতি বিষয়ক মণত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় সেই স্থানটিতে কবির স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে। এছাড়া এখানে কবির স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য একটি যাদুঘর, লাইব্রেরী এবং অডিটরিয়াম নির্মান করা হয়েছে। যাদুঘরে কবির স্বহস্তে লিখিত বেশ কিছু দুর্লভ পান্ডুলিপি,কবির ব্যবহৃত কিছু দুস্প্রাপ্য সামগ্রী এবং কবির কর্মময় জীবনের বেশ কিছু দুর্লভ আলোকচিত্র সরক্ষিত রয়েছে। এই স্থানটি শুধুমাত্র নজরুল গবেষক-ই নয় সাধারণ মানুষের জন্য ও একটি আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। দেশ বিদেশের খ্যাতিমান নজরুল গবেষক,শিল্পীগণ এবং তদুপরি দেশের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ এই কেন্দ্রটি ভ্রমনে এসে বেশ কিছু গাছের চারা রোপন করেছেন। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী র এখানে আগমন ঘটে।